গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে ভোরের পাখি স্কুল। উপজেলার ১৫ নম্বর কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নদীর তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনে একের পর এক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভোরের পাখি চর এলাকায় নদীভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় নতুন করে আরও ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তিস্তার তীব্র স্রোতের কারণে ভোরের পাখি স্কুলটিও এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমেও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীভাঙন ঠেকাতে দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা, প্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর নদীশাসন ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে ভোরের পাখি স্কুলটি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
নদীভাঙনের কারণে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি ও মানুষের নিরাপদ বসবাসও হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।