ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার এজাহার অনুযায়ী গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিৎকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ এলাকায় ডেকে পাঠান তার পরিচিত দুই ব্যক্তি শুভি ও পিন্ডা। সেখানে তাকে মারধরের পর জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ডিবি সূত্র জানায়, গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৩ হাজার ৫০০ টাকার ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ বিক্রির প্রচারণা চালানো হতো। বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ নিয়ে গ্রাহকদের কাছে নিষিদ্ধ কনটেন্ট সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন পুলিশের নজরে আসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।