স্থানীয়দের দাবি, ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসার ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ছাদের বিভিন্ন অংশ দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ায় পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণে নিয়মিত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বর পাওয়ার আশায় শিক্ষককে ‘বাবা’ সম্বোধন করে আবেদন লিখেছে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। ওই উত্তরপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং খেয়াল-খুশি মতো বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি এ বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেছে।
পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলে ক্লাস চলাকালীন ছাদের সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে তামজিদ নামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষে এই আকস্মিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।