বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে আর্জেন্টিনা শিবিরে জোর গুঞ্জন উঠেছিল, কাতার বিশ্বকাপের নায়ক আনহেল ডি মারিয়াকে হয়তো দেখা যাবে যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। এমনকি ট্রফি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতির সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় ছিল। তবে সব গুঞ্জনের ইতি টেনে নিজেই জানিয়েছেন, তিনি ফাইনাল দেখতে স্টেডিয়ামে যাচ্ছেন না।
আর্জেন্টাইন অভিনেতা নিকো ভাসকেজের নাটক ‘রকি’ দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডি মারিয়া জানান, তিনি বিশ্বাস করেন ফাইনালে সরাসরি উপস্থিত হলে সেটি দলের জন্য ‘জিঙ্কস’ বা অপয়া হতে পারে।
আর্জেন্টাইন অভিনেতা নিকো ভাসকেজের নাটক ‘রকি’ দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডি মারিয়া জানান, তিনি বিশ্বাস করেন ফাইনালে সরাসরি উপস্থিত হলে সেটি দলের জন্য ‘জিঙ্কস’ বা অপয়া হতে পারে।
তাই স্টেডিয়ামে নয়, নিজের বাড়িতে বসেই টেলিভিশনের পর্দায় মেসিদের শিরোপা লড়াই উপভোগ করবেন। প্রশ্নের উত্তরে হাসতে হাসতেই তিনি বলেন, ‘না! তুমি কি পাগল নাকি?’ এরপর যোগ করেন, আগেও তিনি এমন পরিস্থিতিতে মাঠে যাননি, এবারও যাবেন না।
মাঠে উপস্থিত না থাকলেও জাতীয় দলের প্রতি নিজের সমর্থনে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন এই অভিজ্ঞ উইঙ্গার। তার ভাষ্য, দলের ফুটবলাররা জানেন শুরু থেকেই তিনি তাদের পাশে ছিলেন এবং এবারও দূর থেকেই একইভাবে সমর্থন জানিয়ে যাবেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও সন্তুষ্ট ডি মারিয়া। তার মতে, নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়ে গিয়েছিল এবং বর্তমান আর্জেন্টিনা দল নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেই আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে গোল করে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন ডি মারিয়া। তবে এবার তার ভূমিকা থাকবে একজন নিবেদিত সমর্থকের।
মাঠে উপস্থিত না থাকলেও জাতীয় দলের প্রতি নিজের সমর্থনে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন এই অভিজ্ঞ উইঙ্গার। তার ভাষ্য, দলের ফুটবলাররা জানেন শুরু থেকেই তিনি তাদের পাশে ছিলেন এবং এবারও দূর থেকেই একইভাবে সমর্থন জানিয়ে যাবেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও সন্তুষ্ট ডি মারিয়া। তার মতে, নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়ে গিয়েছিল এবং বর্তমান আর্জেন্টিনা দল নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেই আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে গোল করে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন ডি মারিয়া। তবে এবার তার ভূমিকা থাকবে একজন নিবেদিত সমর্থকের।
এদিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রফি উপস্থাপন অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মারিও আলবার্তো কেম্পেস ও অস্কার রুগেরি।
স্টেডিয়ামে না থাকলেও কোটি আর্জেন্টাইন সমর্থকের মতো ডি মারিয়ার দৃষ্টি থাকবে টেলিভিশনের পর্দায়, সেখান থেকেই তিনি মেসি ও লিওনেল স্কালোনির দলের জন্য শুভকামনা জানাবেন।