রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ভাটিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন ভুক্তভোগী নারী। রাত ১১টার দিকে আসামিরা তাকে ডেকে তুলে মুখে গামছা বেঁধে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে নিয়ে যান। সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, জামালপুর সদর থানার একটি মামলায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ছানোয়ার হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
স্বামীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন স্ত্রী। সেই মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে প্রায় চার বছর পর স্বামী আবদুল গফুরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রায়ে প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নন্দিনীর স্বজনরা। নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মন দ্রুত এ সাজা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রাও আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নন্দিনীর পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মনে করছেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দিদারুল ইসলাম দিদার জানান, ২০১৬ সালে মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় ইছাহাকের সমর্থক ও আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ গজারিয়া গ্রামে যায়।