শাহজালাল রুমি জানান, তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক এলে তাঁকে ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করেন। রুমির ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক তাঁকে জানান, তিনি শিশুটির সঙ্গে জোরাজুরি করেছেন এবং তাকে চুমু দিয়েছেন। এ কথা শোনার পর একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি বলে দাবি করেন।
মাহফুজা বেগম জানান, প্রায় চার বছর আগে ঢাকার সাভারের বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন তার ছেলে মারুফ। তাদের সংসারে মুসা নামে এক ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। প্রায় এক মাস আগে দাম্পত্য কলহের জেরে শিশুটির মা বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে শিশু মুসা দাদির কাছেই থাকত।