দুই ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে। স্থানীয়রা জানান, বিধান ও মানিক পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে নিয়মিত কৃষিকাজ করতেন। তাদের মৃত্যুতে পরিবারটি বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।
পুলিশ জানায়, বাগেরহাট সদর থানার নাগেরবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় জেলা পুলিশ ও ডিবি যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় বিভিন্ন গমনাগমনের পথ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সন্দেহভাজনদের দেহ তল্লাশি এবং স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়।
কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্ধারের পর জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার দেওয়া হয়েছে। ট্রলারসহ উদ্ধার করা জেলেদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
বন অধিদপ্তরের বিশেষ অনুমোদনে গত ১২ আগস্ট ধলাপাহাড়কে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হয়। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী কুমিরটির দৈর্ঘ্য সাত থেকে আট ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি। গত ৩ জুন বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে উদ্ধার করে এটিকে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল।
ইউএনও মো. হাবিবুল্লাহ তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে নিজের হেফাজতে নেন। তার শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাবার ও পোশাকের ব্যবস্থা করেন তিনি।
‘জেলে থাকতি দুবেলা খাওন পাইতাম, এখন অনেক সময় না খাইয়া থাকতি হয়। জেল থেকে মুক্তি পাইছি, কিন্তু জীবন পাই নাই।’—২১ বছরের কারাবাস শেষে মুক্ত জীবনে ফিরে এভাবেই নিজের অসহায়ত্বের কথা বলছিলেন বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ইব্রাহিম আলী শেখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট দুপুরে মোংলা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিগনাল টাওয়ার এলাকার একটি মাছের ঘেরে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরী শাপলা তুলতে ঘের এলাকায় গেলে একই এলাকার বাসিন্দা সুমন তাকে মাছ দেওয়ার কথা বলে নির্জন একটি স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
খাল দখলমুক্ত করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো উচ্ছেদ অভিযান ছাড়াই ফিরে আসতে হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার বেলা ১১টায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনসহ সরকারি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও, স্থানীয় প্রভাবশালী দখলদারদের বাধার মুখে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের জরুরি চিকিৎসা সেবার সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।