প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রোকসানা আক্তার নামে ফার্মেসির সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি চিকিৎসক না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের প্রেসক্রিপশন লিখে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছেন বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।