বিদ্যালয়টির বর্তমান ভবন দীর্ঘদিনের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ। ২০২৩ সালে একটি দেয়াল ধসে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হওয়ার পর ভবনের একটি অংশ এখনো ধ্বংসাবশেষে পড়ে রয়েছে। এরপর থেকেই নিরাপদ ভবনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সরব ছিল। গত ২২ আগস্টের বিক্ষোভের পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।