একটি ছবি, যার গল্প এখন পুরো ফুটবল বিশ্বে আলোচিত। ২০০৭ সালে বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন ও কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন তরুণ লিওনেল মেসি।
সেই আয়োজনের অংশ হিসেবেই মাত্র পাঁচ মাস বয়সী লামিন ইয়ামালের সঙ্গে একটি ছবি তুলেছিলেন তিনি। সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া সেই ছবিই এখন হয়ে উঠেছে ফুটবলের এক অবিশ্বাস্য গল্প।
তৎকালীন সময়ে বার্সেলোনার ফুটবলারদের সঙ্গে শিশুদের ছবি তুলে তৈরি করা হতো দাতব্য ক্যালেন্ডার। বিক্রির অর্থ দেওয়া হতো ইউনিসেফসহ বিভিন্ন মানবিক প্রতিষ্ঠানে। সেই ফটোশ্যুটে বার্সার ১২ ফুটবলারকে ১২ মাসের প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছিল। অনেক তারকা খেলোয়াড় অংশ নিলেও মেসি ও ইয়ামালের ছবিটি এখন ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে।
ছবিতে দেখা যায়, পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি। প্রায় দুই দশক পর সেই শিশুই এখন স্পেনের অন্যতম বড় তারকা এবং বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসির প্রতিপক্ষ।
সম্প্রতি এই ছবি নিয়ে কথা বলেছিলেন লামিন ইয়ামাল। তিনি জানিয়েছিলেন, সময়ের ব্যবধানে তিনি ও মেসি দুজনই অনেক বদলে গেছেন। তার আশা, এবার বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারবেন।
ফাইনালের আগে ফিফার এক অনুষ্ঠানে সেই ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় লিওনেল মেসিকে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ছবিটি তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়। তার ভাষায়, ছোটবেলায় তোলা একটি ছবি থেকে শুরু করে এত বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে একই ব্যক্তির বিপক্ষে খেলতে নামা সত্যিই জীবনের এক বিস্ময়কর ঘটনা।
মেসি আরও বলেন, লামিন ইয়ামাল বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা তরুণ ফুটবলার। ইউরো জয় থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে সে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। তবে ফাইনালে আর্জেন্টিনা চাইবে ইয়ামালকে সেরা খেলাটা খেলতে না দিতে এবং নিজেদের সেরাটা দিয়ে ম্যাচ জিততে।
বার্সেলোনায় বেড়ে ওঠার কারণে ইয়ামালের প্রতি আলাদা টান রয়েছে বলেও জানান মেসি। তার মতে, এই ঘটনা অনেকটা ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্পের মতো—একসময় যে শিশুর সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন, আজ সেই শিশুই বিশ্বকাপের মঞ্চে তার প্রতিদ্বন্দ্বী।
তৎকালীন সময়ে বার্সেলোনার ফুটবলারদের সঙ্গে শিশুদের ছবি তুলে তৈরি করা হতো দাতব্য ক্যালেন্ডার। বিক্রির অর্থ দেওয়া হতো ইউনিসেফসহ বিভিন্ন মানবিক প্রতিষ্ঠানে। সেই ফটোশ্যুটে বার্সার ১২ ফুটবলারকে ১২ মাসের প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছিল। অনেক তারকা খেলোয়াড় অংশ নিলেও মেসি ও ইয়ামালের ছবিটি এখন ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে।
ছবিতে দেখা যায়, পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি। প্রায় দুই দশক পর সেই শিশুই এখন স্পেনের অন্যতম বড় তারকা এবং বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসির প্রতিপক্ষ।
সম্প্রতি এই ছবি নিয়ে কথা বলেছিলেন লামিন ইয়ামাল। তিনি জানিয়েছিলেন, সময়ের ব্যবধানে তিনি ও মেসি দুজনই অনেক বদলে গেছেন। তার আশা, এবার বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারবেন।
ফাইনালের আগে ফিফার এক অনুষ্ঠানে সেই ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় লিওনেল মেসিকে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ছবিটি তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়। তার ভাষায়, ছোটবেলায় তোলা একটি ছবি থেকে শুরু করে এত বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে একই ব্যক্তির বিপক্ষে খেলতে নামা সত্যিই জীবনের এক বিস্ময়কর ঘটনা।
মেসি আরও বলেন, লামিন ইয়ামাল বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা তরুণ ফুটবলার। ইউরো জয় থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে সে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। তবে ফাইনালে আর্জেন্টিনা চাইবে ইয়ামালকে সেরা খেলাটা খেলতে না দিতে এবং নিজেদের সেরাটা দিয়ে ম্যাচ জিততে।
বার্সেলোনায় বেড়ে ওঠার কারণে ইয়ামালের প্রতি আলাদা টান রয়েছে বলেও জানান মেসি। তার মতে, এই ঘটনা অনেকটা ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্পের মতো—একসময় যে শিশুর সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন, আজ সেই শিশুই বিশ্বকাপের মঞ্চে তার প্রতিদ্বন্দ্বী।