সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দোনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর এক নারীকে কয়েকদিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গত দুই দিন ধরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার ঘাজির খামার ইউনিয়নের শালচুড়া এলাকার বাসিন্দা ওই নারী গত ১৮ আগস্ট ভারত থেকে দোনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এ সময় স্থানীয় একটি অপরাধী চক্র তাকে একা পেয়ে আটক করে বলে অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, চক্রের সদস্যরা ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে জিম্মি করার কথা জানায় এবং মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হলেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, নাঈম ও কাওসারসহ কয়েকজন তাকে একটি স্থানে আটকে রেখে নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। এ সময় তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রীও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
কৌশলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী কানাইঘাট থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করেছে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, সীমান্ত পার হয়ে আসার পর পথ চিনতে না পারায় ওই নারীকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কয়েকজন একটি ঘরে আটকে রাখে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং প্রধান অভিযুক্ত নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।