রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের কলতাপাড়া এলাকায় রামনগরগামী সড়কে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।আটক টোকেন দেব শেরপুর পৌর এলাকার বিকাল বাজারের পাঁচতলা ভবনসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত কার্তিক দেব।
এর আগে গত শনিবার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এই সংসদ সদস্য।
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, নিরাপত্তাঝুঁকি ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন।
পুলিশ জানায়, পত্নীতলা থানার নজিপুর ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামে চোলাই মদ তৈরির আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ লিটার ওয়াশ ও ৯০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। চোলাই মদ তৈরি ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে পাঁচগাছি চরপাড়া এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এনামুল হকের বসতবাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ।
উদ্ধার করা বোতলের মধ্যে ২০টি ফেন্সিবিলের বোতলে দুই লিটার এবং ২৫টি এসকাফের বোতলে আড়াই লিটার বাদামি তরল পদার্থ পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৪ দশমিক ৫ লিটার তরল পদার্থ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুল্লী থানার এসআই (নিরস্ত্র) সজিব হাসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করে হামিদুল ইসলাম ও মিজানের কাছ থেকে ছয় পিস ট্যাপেন্টাডোল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্তর নামে এক যুবক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সৈকত দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ফেন্টানাইল ট্যাবলেটে আসক্ত থাকার পাশাপাশি এর বেচাকেনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রোববার বিকেলে চর ভবশুর সরকারপাড়া এলাকায় একটি দোকানের পেছনে আখক্ষেতে অবস্থানকালে পুলিশ তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, অভিযান পরিচালনার সময় প্লাবন মিয়া পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ও ফুলছড়ি থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এর অংশ হিসেবে রেজা মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রেজা মিয়া (৩৯) ও মো. আয়নাল হক (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত মা জলি খাতুনকে ১ হাজার টাকা এবং তার ছেলে আরিফ রহমান নিশানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আটক মো. আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মুরগির ব্যবসার আড়ালে তিনি নিজের দোকান থেকেই নিয়মিত মাদক বিক্রি করতেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।