পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আলাউদ্দিন, তাঁর স্ত্রী সিমা খাতুন এবং পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সংশ্লিষ্টতায় ৩০ হাজার টাকায় শিশুটিকে আনিসের কাছে দেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শিশুটির দুই ফুফু তাকে প্রায় দুই লাখ টাকায় অন্যত্র বিক্রি করা সম্ভব বলে জানান। এরপর বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে শিশুটিকে নিখোঁজ দেখানোর পরিকল্পনা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
মাহফুজা বেগম জানান, প্রায় চার বছর আগে ঢাকার সাভারের বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন তার ছেলে মারুফ। তাদের সংসারে মুসা নামে এক ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। প্রায় এক মাস আগে দাম্পত্য কলহের জেরে শিশুটির মা বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে শিশু মুসা দাদির কাছেই থাকত।