জানা যায়, ঢাকা থেকে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে যাওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রীর গাড়িবহর কিচক ব্রিজের কাছে পৌঁছায়। এ সময় হঠাৎ এক নারী পথচারী গাড়ির সামনে চলে এলে তাকে বাঁচাতে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের কৃষিজমিতে পড়ে যায়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের পখিরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আহতদের উদ্ধার করে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জন শারম এল-শেখ আন্তর্জাতিক হাসপাতালে, ৯ জন সেন্ট ক্যাথরিন হাসপাতালে এবং ৬ জন আল-ফাইরুজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৯৯৯ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গোলাপগঞ্জ থানাধীন আলীনগরের টিকরপাড়া এলাকায় জায়গীরদার বাজারসংলগ্ন সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কে মিনি ট্রাক ও ডাম্পট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি যানবাহনই সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে বাবা আনচারুল করিম নিজেই মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দেন। ক্লাস শেষে দুপুর দেড়টার দিকে পার্শ্ববর্তী বাসার আরও দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে ট্যাক্সিযোগে বাসার সামনে পৌঁছায় নাওয়াল। গাড়ি থেকে নামার সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি বিদ্যুৎচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে আহত হয়।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, মাগুরা থেকে ঢাকাগামী নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের বাসটি পদ্মা সেতুর ঢালে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় বাসটি সড়কের রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইন্টারস্টেট ২৭০ মহাসড়কের বেথেসডা এলাকায় ডেমোক্রেসি বুলেভার্ডের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন মুসাম্মাত শামীমা বেগম (৪৬) ও তার মেয়ে আরিবা জাহিদ (২৩)। তারা পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে বসবাস করতেন।
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। সিলেটের শ্রীমঙ্গলে নাটকের শুটিং শেষ করে ঢাকা ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব এলাকায় তার বহরের গাড়িতে একটি পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনায় তিশাসহ গাড়িতে থাকা কেউ আহত হননি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহতদের চিকিৎসা চলছে।
নিহত সেলিম মিয়া ডাংগা ইউনিয়নের সান্তানপাড়া গ্রামের মিয়াজিগাঁও এলাকার মৃত আয়ুব আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির চরকা টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, সকালে আগ্রাদ্বিগুন এলাকা থেকে চার বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। শিমুলতলী ব্রিজের ওপর পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের পাশে থাকা একটি পিলারে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা শ্রীজয় বর্মণ গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ে ইউটার্ন পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে একটি প্রাইভেট কার। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার পরও ট্রাক না থামিয়ে চাপা পড়া গাড়িটিকে প্রায় ২০০ মিটার টেনে নিয়ে যান চালক। পরে ট্রাকটি ফেলে পালিয়ে যান তিনি।