মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শেরপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল উপজেলা। এখানকার ২৩০টি মৌজায় প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১২ হাজার দলিল নিবন্ধন হয়। জমি-জমা সংক্রান্ত দলিল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সাধারণ মানুষকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় নিবন্ধন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।