অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভূমি সংক্রান্ত একটি মামলায় ঘুষ না দেওয়ায় রাফিউর রহমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল রায় দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া দপ্তরের একজন সাধারণ চেইনম্যানকে কানুনগো হিসেবে ব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির একটি সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলা সদরের ভূমি কমিশনারের কার্যালয় পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি দুটি সার্কেল অফিস ঘুরে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত দেখতে পান। তবে হাজিরা খাতায় তাদের অনেকের স্বাক্ষর আগে থেকেই দেওয়া ছিল বলে জানান তিনি।