স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও রোগীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে তখন চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।
গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শেষ সীমানায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারের অবহেলা ও কাজের ধীরগতির কারণে নির্মাণকাজ অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে আছে।