গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শেষ সীমানায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারের অবহেলা ও কাজের ধীরগতির কারণে নির্মাণকাজ অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুলাই রাত থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিপাত ১০ জুলাই দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এ সময়ে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ ২৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।
টানা বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার নালকাটা-শুকনাছড়ি সড়কের একটি বড় অংশ শুকনাছড়ি ছড়ার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে উপজেলার লতিবান ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বলেন, হঠাৎ করে সকালে সেতুর এক পাশের সংযোগ সড়ক ধসে গেছে। আমরা এপার থেকে ওপারে যেতে পারছি না যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে। দ্রুত মেরামত করা না হলে আমাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নিম্নাঞ্চল হাঁটু থেকে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ নগরবাসীকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি অনুদান ও প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই রাস্তাটি হঠাৎ করে ধ্বংস করে দেওয়ায় চরম ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। রাস্তা কেটে ফেলার কারণে বর্তমানে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ জমির আইল দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছেন, যার ফলে এলাকায় তীব্র জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলেও কুড়িগ্রামের চিলমারী অংশে ‘মওলানা ভাসানী সেতুর’ সংযোগ সড়কের উন্নয়নকাজ এখনও শেষ হয়নি। কাজের চরম ধীরগতি ও সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে সদ্যনির্মিত ৫ দশমিক ২৩ কিলোমিটার সড়কের দুপাশে প্রায় ১০০টি ছোট-বড় গর্ত ও খাদের সৃষ্টি হয়েছে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দীর্ঘ চার দশকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পাকা না হওয়ায় অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। রোববার দুপুরে উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের খন্দকার পাড়া মসজিদের সামনের কর্দমাক্ত রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে তাঁরা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সোনামুখী–গাসাবাড়ী সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশ কাদা ও পানিতে ডুবে যায়, ফলে পথচারী, শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী এবং যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।