ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাধারণ পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন প্রিয়জনের কবর সংরক্ষণ করতে পারছেন না। একই সাধারণ কবরে ১০ বছরের ব্যবধানে পাঁচ থেকে সাতজন পর্যন্ত দাফনের নজির রয়েছে। বিপরীতে আর্থিক সামর্থ্যের ভিত্তিতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কবরস্থানে ১০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত কবর সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শনিবার (০৪ জুলাই) আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।