জানা গেছে, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক গ্রামের হেলাল মিয়ার মেয়ে নাদিয়া আক্তার (১৭) শুক্রবার রাতে নরসিংদীর গাউছিয়া এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। শনিবার সকালে অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন স্বজনরা। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সে দুই পরিবারের ১২ জন যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসির মিয়া ও তার দুই ভাই নাছির মিয়া এবং বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আসির মিয়াকে আটক করে। পরে তাকে থানায় নেওয়ার সময় এলাকায় হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের কাছে বৌলাই নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রুকাইয়া নুর ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার গল চামোট ২ নম্বর সড়ক এলাকার চিকিৎসক ডা. শাহনুর রহমানের মেয়ে।
গ্রেপ্তার আছিয়া বেগম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের গোদারগাঁও গ্রামের মো. তাজ উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা—দুই উপজেলার মানুষের জন্য বাদশাগঞ্জে একটি মাত্র সাবরেজিস্ট্রি অফিস রয়েছে। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবার সেখানে দলিল রেজিস্ট্রি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া খাজনার রশিদ ব্যবহার করে কিছু দলিল রেজিস্ট্রি করা হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে শুকনো মৌসুমে শিশুরা হেঁটে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারলেও বর্ষা নামলেই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। চারপাশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এ সময় শিশুদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে নৌকা।
একটি হাসপাতাল মানে মানুষের শেষ আশ্রয়। সেখানে আলো নিভে যাওয়ার খবর আসা মানেই উদ্বেগ, আতঙ্ক।