সুন্দরবনে বন বিভাগের কঠোর নজরদারি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও নিয়মিত অভিযানের ফলে হরিণ শিকার এবং বিষ দিয়ে মাছ ধরার মতো বন অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগে বনরক্ষীদের নিয়মিত ফুট পেট্রোলিং, স্মার্ট পেট্রোলিং, বোট পেট্রোলিং, দিন-রাত ঝটিকা অভিযান ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারিতে চোরা শিকারি ও বনজ সম্পদ ধ্বংসকারী চক্রের তৎপরতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
চলতি মৌসুমে সুন্দরবন থেকে মাত্র ১ হাজার ৭৩৮ কুইন্টাল মধু সংগৃহীত হয়েছে, যা গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এবং বিগত বছরের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম। বনদস্যুদের আতঙ্ক ও প্রতিকূল জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মৌয়ালদের আয় সংকটে।