স্ত্রীর করা পৃথক দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন টিকটকার আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুন। রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন। আইনজীবীর দাবি, অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না থাকায় তার কারামুক্তিতে এখন আর বাধা নেই।
মামুনের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় জানান, কোটি টাকা যৌতুক দাবি করে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান এবং আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার জামিন মঞ্জুর করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সোমবার কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন প্রিন্স মামুন।
রোববার কারাগার থেকে প্রিন্স মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার বাদী ও তার স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। প্রথমে আত্মহত্যার চেষ্টার মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করা হয়। পরে যৌতুকের মামলায় জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানির সময় বিচারক বাদীকে আপসের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহনা জানান, তিনি আপস করতে চান না। এ সময় তাদের বিয়ের কাবিননামায় দেনমোহরের পরিমাণ জানতে চাইলে তিনি ১০ লাখ টাকা বলে জানান। বিচারক সংসার করতে চান কি না জানতে চাইলে মোহনা না সূচক জবাব দেন। পরে আসামির কারাবাস বিবেচনায় আপসের শর্তে এক হাজার টাকা মুচলেকায় মামুনের জামিন মঞ্জুর করা হয়।
এর আগে গত ২৪ জুলাই কোটি টাকা যৌতুক দাবি করে মারধরের অভিযোগে ভাটারা থানায় প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা। ওই দিনই তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টা করার অভিযোগে মোহনা আরেকটি মামলা করেন। গত ২৯ জুলাই ওই মামলায় মামুনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।