Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
হোম / চট্টগ্রাম বিভাগ / সারাদেশ / কক্সবাজার / কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের ৮ জনই জবি শিক্ষার্থীর স্বজন - Chief TV

কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের ৮ জনই জবি শিক্ষার্থীর স্বজন - Chief TV

2026-10-17  ডেস্ক রিপোর্ট  45 views
কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের ৮ জনই জবি শিক্ষার্থীর স্বজন - Chief TV

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে আটজন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বজন বলে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সরকারের একই পরিবারের ছয় সদস্য রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে জবির রসায়ন বিভাগের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলাও রয়েছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবস্থিত রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। এতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ছয়জনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ। এ ছাড়া স্বজনদের পক্ষ থেকে নাফিজ ও নাবিলার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নিহত সবার পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য প্রয়োজন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সরকার জানান, অগ্নিকাণ্ডে তাঁর পরিবারের ছয় সদস্য মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন নারী কাজিন, একজন পুরুষ কাজিন এবং এক নারী কাজিনের ছোট সন্তান ফাইয়াজ রয়েছে। নাফিজ ও নাবিলাও তাঁদের আত্মীয়। তাঁরা তাঁর মায়ের ফুফাতো বোনের পরিবারের সদস্য।

আহাদ আরও জানান, এ ঘটনায় তাঁদের পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল সাতটার দিকে রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর রিসোর্টের ভেতরে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানান, রিসোর্টটির ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ছিল না। গত জুনে পরিদর্শনের পর প্রতিষ্ঠানটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সতর্কতামূলক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও রিসোর্টটির কার্যক্রম চালু ছিল। অগ্নিকাণ্ডের কারণ, নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


Share: