নীলফামারী থেকে ঢাকাগামী একটি নৈশকোচে নারী পোশাক শ্রমিককে মারধর, শ্লীলতাহানি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ‘আদিবা পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে জেলার জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সীমান্তবর্তী নওদার বাজার এলাকায় বাসটি আটকে রেখে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, গত ২১ আগস্ট তিনি জলঢাকা থেকে আদিবা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। ঢাকার প্রবেশমুখ গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় বাসটি প্রায় ফাঁকা হয়ে গেলে চালকের সহকারী লালচান, সুপারভাইজার শফিকুল ইসলাম ও তার সহকারী শরিফুল তাকে একা পেয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় তার বেতনের টাকা ও মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে শুক্রবার রাতে বাসটি নীলফামারীর নওদার বাজার এলাকায় ফিরে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এরপর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বাসটি ঘেরাও করে আটকে রাখেন এবং সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদিবা পরিবহন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আটক বাসটি উদ্ধার করে। অভিযুক্ত চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার পলাতক রয়েছেন বলে জানান তিনি।