Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / জাতীয় / বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ - Chief TV

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ - Chief TV

2026-09-05  ডেস্ক রিপোর্ট  26 views
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ - Chief TV

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ। যথাযোগ্য শ্রদ্ধা ও মর্যাদায় দিবসটি পালনে নড়াইল জেলা প্রশাসন ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাস্টের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নড়াইল সদর উপজেলার নূর মোহাম্মদ নগরে (সাবেক মহিষখোলা) বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সশস্ত্র সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান, কোরআনখানি, বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতারও আয়োজন রয়েছে।

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ৮ অক্টোবর নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) সৈনিক হিসেবে যোগ দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ল্যান্স নায়েক পদে উন্নীত হন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নূর মোহাম্মদ ৮ নম্বর সেক্টরে যোগ দিয়ে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুর এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিনি অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন।

যুদ্ধের একপর্যায়ে গুরুতর আহত হলেও সহযোদ্ধাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে নূর মোহাম্মদ লড়াই চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত শত্রুর গুলিতে তিনি শাহাদাতবরণ করেন। পরে সহযোদ্ধারা তার মরদেহ উদ্ধার করে যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে সামরিক মর্যাদায় দাফন করেন।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে মরণোত্তর ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করে। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জন্মস্থান মহিষখোলা গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘নূর মোহাম্মদ নগর’। সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ লাইব্রেরি ও স্মৃতি জাদুঘর, কলেজ ও স্মৃতিস্তম্ভ।

প্রতি বছর জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মানুষ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।


Share: