শ্রমিকদের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ, দায়িত্বশীলতা, সততা ও নিষ্ঠার কারণে প্রশংসা কুড়িয়েছেন স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কোনাবাড়ী জরুন ১০ তলা ইউনিটের চিফ অপারেটিং অফিসার (COO) মো. নূর-ই-আলম। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের সঙ্গে তাঁর আচরণ এবং কর্মদক্ষতার প্রশংসা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কারখানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণের পাশাপাশি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে শুনে সমাধানের উদ্যোগ নেন নূর-ই-আলম। শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তাঁর প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা তৈরি হয়েছে বলে জানান কয়েকজন শ্রমিক।
এক শ্রমিক বলেন, নূর-ই-আলমের কাছে গেলে তাঁর আন্তরিকতা বোঝা যায়। এর আগে অনেক কর্মকর্তা থাকলেও তাঁর মতো সহযোগিতাপরায়ণ কর্মকর্তা পাওয়া কঠিন। তিনি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি শ্রমিকদের প্রয়োজনেও পাশে থাকেন।
শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোনো শ্রমিক অসুস্থ হয়ে আর্থিক সংকটে চিকিৎসা করাতে না পারলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন নূর-ই-আলম। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেন তিনি। অসহায় শ্রমিকদের ব্যক্তিগতভাবেও সহযোগিতা করার নজির রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। অসুস্থ শ্রমিকদের প্রয়োজনে কর্মস্থলের পাশাপাশি বাসায় গিয়েও খোঁজ নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
শ্রমিকদের ভাষ্য, তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার পর কারখানার কর্মপরিবেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শ্রমিকদের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের নিয়মের মধ্যে থেকে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করেন তিনি। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও ভালো হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, শুধু শ্রমিকদের কাছেই নয়, ক্রেতা ও বায়ারদের কাছ থেকেও তাঁর কাজের প্রশংসা পাওয়া যায়। স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের সুনাম ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।
সহকর্মীরা জানান, প্রতিষ্ঠানের কাজে তিনি দীর্ঘ সময় দেন। অনেক সময় নির্ধারিত কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার পরও অফিসে থেকে দায়িত্ব পালন করেন। আবার কোনো কোনো দিন অফিস সময় শুরুর আগেই কর্মস্থলে এসে কাজ শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাঁর এমন পরিশ্রম ও দায়িত্বশীলতার কারণে সহকর্মীদের কাছেও তিনি প্রশংসিত।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন কর্মকর্তার দায়িত্ব শুধু অফিসের কাজ সম্পন্ন করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করাও নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নূর-ই-আলমের কর্মকাণ্ডে এমন দায়িত্বশীল ও শ্রমিকবান্ধব নেতৃত্বের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে মনে করেন শ্রমিকেরা।