গত ১৯ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটির খালাস কার্যক্রম স্থগিত করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা চালানো হয়। এতে বেরিয়ে আসে, ১৬৪টি প্যাকেজে ১৪ ধরনের ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া পণ্যগুলো আসলে চারটি বিলাসবহুল গাড়ি। গাড়িগুলো বড় বড় অংশে কেটে যন্ত্রাংশের আড়ালে আমদানি করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।