ভারত ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। মুম্বাই হাইকোর্টের নির্দেশে নির্ধারিত সময়সীমার এক দিন আগে মঙ্গলবার তাঁর দেশ ছাড়ার ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আপাতত ভারতে থাকতে পারবেন এই অভিনেতা। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ২ নভেম্বর।
ভারতের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) ইমরান খানকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। মুম্বাইয়ে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদেশি নাগরিক হয়েও ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়ে অভিবাসন আইনের বিধান লঙ্ঘন করেছেন অভিনেতা।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ইমরান। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, অভিনেতা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং ওই বিক্ষোভ আয়োজনের সঙ্গেও তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দেশ ছাড়ার নির্দেশকে অসাংবিধানিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেছেন তাঁর পক্ষের আইনজীবীরা।
আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খান ‘জানে তু... ইয়া জানে না’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচিতি পান। ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেতা মার্কিন নাগরিক।
এদিকে ইমরানের সঙ্গিনী লেখা ওয়াশিংটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, আটক হওয়া এক পরিচিত বন্ধুর খোঁজ নিতে গিয়ে তাঁরা সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে পড়েন। ইমরানও তাঁদের কোনো রাজনৈতিক দাবি নেই বলে জানিয়েছিলেন।
মুম্বাই হাইকোর্টে আগামী ২ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশ ছাড়ার নির্দেশের বিষয়ে আপাতত স্বস্তিতে থাকছেন অভিনেতা।