পরিদর্শনকালে তিনি ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট সেলুন, রেলওয়ে কারখানার বিভিন্ন শপ, রেলওয়ে জাদুঘর এবং ব্রিটিশদের নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরে ঐতিহাসিক ক্যাথলিক গির্জা, খ্রিস্টান কবরস্থান ও সংলগ্ন চিনি মসজিদও পরিদর্শন করেন।
চা বাগানে পৌঁছে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কাজ ও জীবনযাপন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে তিনি নিজ হাতে চা গাছ থেকে কচি পাতা তোলেন। বাগানের মনোরম পরিবেশে ফটোসেশনেও অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। পরে তিনি বন্দরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বন্দর পরিচালনা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে তিনি ব্যারাজের সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন।