বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর মতে, দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথ বের করা সম্ভব।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তাঁর স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে ২৯ জুলাইও ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, দুই দেশের মানুষ একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।
দুই দেশের সম্পর্ক ও গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ এবং দুই দেশের মধ্যে চ্যালেঞ্জ থাকাটাই স্বাভাবিক। মতপার্থক্য ও বিতর্কের মধ্য দিয়েই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রসঙ্গে ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাঁদের মধ্যে বৈঠক ও আলোচনা হলে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা সমাধান করা সম্ভব নয় বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ভারতের হাইকমিশনার।