নওগাঁর ধামইরহাটে যুবক মোস্তাকিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে।
পুলিশ জানায়, মাছ ধরার একটি তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের মোস্তাকিন (২০) ও তার মাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে তারা দুজনই আহত হন।
স্থানীয়রা আহত অবস্থায় মোস্তাকিন ও তার মাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান শুরু করে। গ্রেপ্তাররা হলেন—রতন হোসেন (২২), সাইদুল ইসলাম (২৪), রোকেয়া বেগম (৫৫), জাকিয়া বেগম (১৯) এবং আইন অনুযায়ী শিশুর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে একটি দল বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
পরে গ্রেপ্তার এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবল উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।