গার্মেন্টস শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে যে অসন্তোষ ও নাশকতার ঘটনা ঘটছে, সেগুলো প্রকৃত শ্রমিকদের আন্দোলন নয়; বরং রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার।
গার্মেন্টস খাতের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে সোমবার (২ নভেম্বর) প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নাজমা আক্তার বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কারখানা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নানা ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। গাজীপুরেও বিভিন্ন পক্ষের সংশ্লিষ্টতায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। এসব ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে বলে তাঁর ধারণা।
শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নাশকতা ও শিল্পকারখানা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘শিল্প-কারখানা ধ্বংস করে তো লাভ নেই।’
নাজমা আক্তারের ভাষ্য, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং নতুন মজুরি নির্ধারণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এ অবস্থায় শিল্পকারখানা ভাঙচুর বা আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
নতুন মজুরি নির্ধারণে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি। নাজমা আক্তার বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে বোর্ড গঠন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সরকারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি দ্রুত নতুন মজুরি ঘোষণা করার আহ্বানও জানান সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি।