আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর আটজন সদস্য রয়েছেন। চার বাহিনীর প্রধানসহ সদস্যদের আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জেলেদের মহাজন বাবুল মাঝি জানান, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় বৈরী আবহাওয়া থেকে বাঁচতে জেলেরা শ্যালার চরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা সশস্ত্র দস্যুরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে তিনটি ট্রলার থেকে পাঁচ জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। এ সময় একটি ফিশিং ট্রলারও ছিনিয়ে নেয় তারা।
সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাস সৃষ্টি করা কুখ্যাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন বনদস্যু অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণের সময় তারা বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন।