বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে শোকাতুর অবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বেনাপোলের শিক্ষার্থী আফিয়া মাসুমা। জীবনের কঠিন সেই মুহূর্তেও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আফিয়া এবার ফলাফলে এ গ্রেড অর্জন করেছেন। তাঁর এ ফলে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
বোর্ডের ফলাফল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৪৩টি কলেজ থেকে ১৮২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। আর ২০২৬ সালে আট জেলার ৪৯টি কলেজ থেকে ২৯০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা কলেজের সংখ্যা বেড়েছে ছয়টি।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার মাত্র ৪২ দশমিক ১৭ শতাংশ। বিপরীতে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৩ দশমিক ১২ শতাংশ। আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছেন ৫০ দশমিক ৭৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে শুধু ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।