এ সময় বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তসলিম তালুকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মুঠোফোনে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদও।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শাহ্ আবদুল্লাহ আল-মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কাজিপুর থানা শাখার সভাপতি হাফেজ আবু জাফর সরকার।
দীর্ঘদিন ধরে ধরলা নদীর ভাঙন ও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। নদীভাঙনে অনেক পরিবার বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনাও হুমকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে নদীর ডান তীরে স্থায়ী গাইড বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভোরের পাখি চর এলাকায় নদীভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় নতুন করে আরও ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়া সংলগ্ন ঘাঘট নদীর অব্যাহত ভাঙনে শহররক্ষা বাঁধ চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর সঙ্গে বাঁধের দূরত্ব এখন মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুট। এতে যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ভাঙন ঠেকাতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও কোন কাজ হয়নি। নিজেদের শেষ সম্বলটুকু বাঁচাতে নিজেরাই গাছের ডালপালা ফেলে ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছি । দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে নদী পাড়ের এসব গ্রাম।
সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভাঙনকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে নতুন করে বেঁচে থাকার আশার সঞ্চার হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।