উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুনীল কুমার বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সনদ ছাড়াই চেম্বার খুলে চিকিৎসার নামে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ এবং অস্ত্রোপচারও করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।