২১ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকালে সরেজমিনে নির্মিত দোকানটি ও পুনর্বাসিত ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান পরিদর্শন করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, উপজেলা সমাজ সেবার আওতায় “ভিক্ষুক পূর্ণবাসনের উদ্দেশ্যে উপজেলার ১২ জন ভিক্ষুকে পূর্ণবাসনের আওতায় ২ জনকে দোকান করে দেওয়া হয়েছে ও বাকী ১০ জনের মাঝে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত মহোদয় উপস্থিত থেকে ২টি করে ছাগল ও দোকানের অর্থ বিতরণ করেছেন ।
ভিক্ষাবৃত্তি কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় আমরা চাই এই মানুষগুলো নিজেদের পরিশ্রমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠুক। এ ধরনের মানবিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন কার্যক্রম বকশীগঞ্জে অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন , প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পক্ষথেকে উপকার ভোগী পরিবারকে নগত অর্থও প্রদান করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কনিকা খাতুন, ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নিজেদের নতুন মুদির দোকান পেয়ে আবেগপ্লুত ওই শান্তনা বেগম বলেন, হাত পাতার জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে এখন থেকে নিজের দোকানে বেচাকেনা করে হালাল উপার্জনের মাধ্যমে সংসার চালাবেন।