Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / ঢাকা বিভাগ / সারাদেশ / কিশোরগঞ্জ / ‘মিষ্টির টাকা’ চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে ৪৬ - Chief TV

‘মিষ্টির টাকা’ চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে ৪৬ - Chief TV

2026-09-05  ডেস্ক রিপোর্ট  18 views
‘মিষ্টির টাকা’ চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে ৪৬ - Chief TV

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বর ও তার বাবাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বারঘড়িয়া ইউনিয়নের গাবতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে করিমগঞ্জের নোয়াবাদ ইউনিয়নের ঝাউতলা এলাকায় কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে বরযাত্রী নিয়ে একটি গাড়ি যাচ্ছিল। গাড়িটি গাবতলী বাজারে পৌঁছালে ধীতপুর বড়বাড়ি এলাকার কাজলের পক্ষের কয়েকজন যুবক সেটি থামিয়ে মিষ্টি কেনার জন্য টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাজলের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে বারঘড়িয়া এলাকার আশকর আলীর বংশের বরপক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইট-পাথর নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে।

সংঘর্ষে বর মো. হানিফ ও তার বাবা হবি মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪৬ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ধীতপুর বড়বাড়ি এলাকার কাজল দাবি করেন, বরযাত্রীর গাড়ি বাজারে পৌঁছানোর পর যানজটকে কেন্দ্র করে একটি অটোরিকশাচালকের সঙ্গে বরপক্ষের কয়েকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে তার পক্ষের লোকজন সেখানে গেলে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে তাদের পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে বরপক্ষের হেলাল অভিযোগ করেন, গাবতলী বাজারে পৌঁছানোর পর কাজলের ভাই ও ভাতিজারা বরযাত্রীর গাড়ি আটকে মিষ্টির জন্য টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বরপক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

খবর পেয়ে করিমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের লোকজন সরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Share: