গাইবান্ধা শহরের স্টেশন রোড-কাচারি বাজার এলাকায় হিজাব কেনাকে কেন্দ্র করে দোকানদারদের সঙ্গে বিরোধের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোছা: নাহিদা আক্তার নাফিস (২৩) নামে এক ব্যক্তি গাইবান্ধার সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি মারিয়াম বোরকা ওড়না হাউজ স্টেশন রোড-কাচারি বাজার এলাকায় একটি হিজাব কিনতে যান। একটি দোকানে হিজাব পছন্দ হলে তিনি দাম জানতে চান।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি মারিয়াম বোরকা ওড়না হাউজ স্টেশন রোড-কাচারি বাজার এলাকায় একটি হিজাব কিনতে যান। একটি দোকানে হিজাব পছন্দ হলে তিনি দাম জানতে চান।
অভিযোগ অনুযায়ী, দোকানদার হিজাবটির দাম ৮০০ টাকা দাবি করেন। পরে পাশের অন্য একটি দোকানে একই ধরনের হিজাবের দাম ২০০ টাকা জানতে পেরে তিনি প্রথম দোকানের হিজাবের দাম বেশি রাখার কারণ জানতে চান।
অভিযোগকারীর দাবি, এ সময় দোকানদার তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে অভিযোগ করার কথা জানালে দোকানদার তাকে রশিদ দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে তিনি মোবাইল ফোন বের করে ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ভিডিও ধারণের সময় দোকানদার ও আশপাশের কয়েকজন দোকানদার তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগকারীর দাবি, একপর্যায়ে তার মোবাইল ফোন ও সাইড ব্যাগ নিয়ে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তার সঙ্গে শারীরিকভাবে অসদাচরণের ঘটনা ঘটে। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে সরে গিয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান।
এ ঘটনায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ থাকার কথাও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট দোকানদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দোকানদারদের বক্তব্য এবং পুলিশের তদন্তের ফলাফল এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত সাপেক্ষ।
অভিযোগকারীর দাবি, এ সময় দোকানদার তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে অভিযোগ করার কথা জানালে দোকানদার তাকে রশিদ দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে তিনি মোবাইল ফোন বের করে ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ভিডিও ধারণের সময় দোকানদার ও আশপাশের কয়েকজন দোকানদার তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগকারীর দাবি, একপর্যায়ে তার মোবাইল ফোন ও সাইড ব্যাগ নিয়ে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তার সঙ্গে শারীরিকভাবে অসদাচরণের ঘটনা ঘটে। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে সরে গিয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান।
এ ঘটনায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ থাকার কথাও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট দোকানদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দোকানদারদের বক্তব্য এবং পুলিশের তদন্তের ফলাফল এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত সাপেক্ষ।