Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / বরিশাল বিভাগ / সারাদেশ / বরিশাল / নারীদের সর্বনাশ করাই বরিশালের এই শিক্ষকের 'নেশা' - Chief TV

নারীদের সর্বনাশ করাই বরিশালের এই শিক্ষকের 'নেশা' - Chief TV

2026-08-20  ডেস্ক রিপোর্ট  44 views
নারীদের সর্বনাশ করাই বরিশালের এই শিক্ষকের 'নেশা' - Chief TV

বরিশালের বানারীপাড়ায় জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে এক শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোরশেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন শিক্ষক মোরশেদ। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে এবং ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পরে তাকে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে ওই নারীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক মো. মোরশেদকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও খুলনার একটি হোটেলে এক সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে অবস্থানের অভিযোগ উঠেছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও তারা দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে পৃথকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

মোরশেদের বিরুদ্ধে মামলার খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তানিয়া রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খগোপতি রায়কে বিষয়টি জানান।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খগোপতি রায় বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পাননি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।


Share: