নওগাঁর মহাদেবপুরের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে এখনো নিয়মিত পত্রিকা বিলি করেন সাংবাদিক অসিত দাস। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়েও সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অটুট রয়েছে। ঢাকা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের নওগাঁর মহাদেবপুরে বসেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।
অসিত দাসের সাংবাদিকতা শুরু ১৯৯১ সালে। রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সোনালী সংবাদ-এর নওগাঁ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর পেশাগত পথচলা শুরু হয়। ১৯৯৬ সালে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের কাগজের নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেন।
অসিত দাসের সাংবাদিকতা শুরু ১৯৯১ সালে। রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সোনালী সংবাদ-এর নওগাঁ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর পেশাগত পথচলা শুরু হয়। ১৯৯৬ সালে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের কাগজের নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেন।
এরপর ১৯৯৭ সালে কুমিল্লার হোমনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক হোমনা পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে গাজীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক গাজীপুর বার্তা, পাবনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পাবনা এবং বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক মুক্ত বার্তায় সাংবাদিকতা করেন। দৈনিক মুক্ত বার্তায় তিনি প্রায় নয় বছর কাজ করেছেন বলে জানা যায়।
মহাদেবপুর থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন অসিত দাস। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে সাংবাদিকতার উন্নয়ন ও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে দেশ-বিদেশে পরিচিতি অর্জন করেছেন বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন।
অসিত দাসের জন্ম ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নওগাঁর মান্দা উপজেলার ছোট বেলালদহ গ্রামে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি মহাদেবপুর উপজেলার ৩ নম্বর খাজুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামে দাদার বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের তিন নম্বর সন্তান অসিত দাস পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।
রাজনৈতিক জীবনেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহাদেবপুর-বদলগাছী আসনে তিনবার সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন পেলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নেননি বলে জানা গেছে।
২০২৪ সালে সাংবাদিকতা জীবনে দৈনিক আজকের জনবাণী, দৈনিক বিকাল বার্তা, দৈনিক আমাদের একাত্তর, সংবাদ প্রতিদিন ২৪ ও ঢাকা পোস্টসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অসিত দাস।
মহাদেবপুর থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন অসিত দাস। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে সাংবাদিকতার উন্নয়ন ও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে দেশ-বিদেশে পরিচিতি অর্জন করেছেন বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন।
অসিত দাসের জন্ম ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নওগাঁর মান্দা উপজেলার ছোট বেলালদহ গ্রামে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি মহাদেবপুর উপজেলার ৩ নম্বর খাজুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামে দাদার বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের তিন নম্বর সন্তান অসিত দাস পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।
রাজনৈতিক জীবনেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহাদেবপুর-বদলগাছী আসনে তিনবার সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন পেলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নেননি বলে জানা গেছে।
২০২৪ সালে সাংবাদিকতা জীবনে দৈনিক আজকের জনবাণী, দৈনিক বিকাল বার্তা, দৈনিক আমাদের একাত্তর, সংবাদ প্রতিদিন ২৪ ও ঢাকা পোস্টসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অসিত দাস।
দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা জীবনের পাশাপাশি এখনো গ্রামাঞ্চলে পত্রিকা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রত্যন্ত এলাকায় সংবাদপত্র পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা তাঁর সাংবাদিকতার প্রতি দীর্ঘদিনের নিষ্ঠারই প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।