অন্যের ছয় বছর বয়সী মেয়েকে চুমু দেওয়া বা চুমু দেওয়ার চেষ্টাকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক মনে করেন না জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ধর্ম সম্পাদক মাওলানা সানাউল্লাহ খান। তবে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় আপত্তি জানালেও একজন বাবা হিসেবে ওই ব্যক্তির পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সানাউল্লাহ খান।
পোস্টে তিনি লেখেন, শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীর প্রতি স্নেহ-ভালোবাসা থাকতেই পারে। তবে সেই ভালোবাসা প্রকাশের জন্য চুমু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এর পরিবর্তে শিক্ষার্থীকে উপহার দেওয়া কিংবা ভালো কিছু খাওয়ানোর মাধ্যমে উৎসাহিত করা যেতে পারে।
সানাউল্লাহ খান লেখেন, অন্যের ছয় বছরের মেয়েকে চুমু দেওয়া বা চুমু দেওয়ার চেষ্টাকে তিনি কোনোভাবেই স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন না। শরিয়তের দৃষ্টিতেও এ বিষয়ে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় শিশুটির বাবার আচরণ নিয়ে আপত্তি থাকলেও তাঁকে একজন বাবা হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষ্য, ওই ব্যক্তি প্রথমে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানিয়ে বিচার চেয়েছিলেন। সেখানে বিচার না পেয়ে পরে নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরো বিষয়টি ক্যামেরায় ধারণ করান।
সানাউল্লাহ খানের মতে, শিশুটির বাবা যা করেছেন, তা প্রকাশ্যেই করেছেন। তবে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করাকে তিনি অতিরঞ্জিত আচরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এ ঘটনার বিচার আইন অনুযায়ী হওয়া উচিত।
নিজের সন্তানের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটলে তিনি কতটা ধৈর্য ধরতে পারবেন, সে বিষয়েও পোস্টে ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া জানান সানাউল্লাহ খান। তিনি লেখেন, নিজের সন্তানের ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটলে তাঁর এতটুকু ধৈর্য থাকবে না এবং তিনি ধৈর্য ধরতেও চান না।