Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / আন্তর্জাতিক / কয়েক দিনের মধ্যে ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প - Chief TV

কয়েক দিনের মধ্যে ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প - Chief TV

2026-11-02  ডেস্ক রিপোর্ট  42 views
কয়েক দিনের মধ্যে ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প - Chief TV

ইরানে কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপক টাকার কার্লসন। তাঁর দাবি, ইরানের একটি সন্দেহভাজন পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার অনুমোদন দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে কার্লসনের এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মধ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এর নাম উল্লেখ করেন কার্লসন। তাঁর দাবি, ওই এলাকায় ইরান আবারও পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি শুরু করেছে বলে মনে করছে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা।

কার্লসন ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ফক্স নিউজের ‘টাকার কার্লসন টুনাইট’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন। বর্তমানে এক্সে নিজের অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত মন্তব্য করেন এই রক্ষণশীল ভাষ্যকার।

কার্লসনের দাবি, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো প্রায় ৩০০ ফুট পুরু কঠিন গ্রানাইট পাথরে সুরক্ষিত। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে সেখানে আঘাত করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এমন পরিস্থিতিতে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প হিসেবে পারমাণবিক হামলার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে কার্লসন বলেন, নেতানিয়াহু এ বিষয়ে প্রতিদিন ট্রাম্পকে ফোন করছেন।

নেতানিয়াহুর চাপের পেছনে তাঁর রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন কার্লসন। তাঁর দাবি, ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে নেতানিয়াহুর ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তা না হলে তিনি ক্ষমতা হারানো এবং তদন্ত ও কারাদণ্ডের মুখে পড়তে পারেন বলে দাবি করেন এই ভাষ্যকার।

কার্লসন আরও অভিযোগ করেন, বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু।

তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফও নেতানিয়াহুর অবস্থানের সঙ্গে একমত। এ ছাড়া দোহায় ইরানকে নিয়ে যে শান্তিচুক্তির খসড়া তৈরি হচ্ছে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তার বিরোধিতা করেছেন বলে দাবি করেন কার্লসন।

তবে ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা, নেতানিয়াহুর চাপ কিংবা মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবস্থান নিয়ে কার্লসনের এসব বক্তব্যের স্বাধীন কোনো সত্যতা নিশ্চিত হয়নি। ফলে তাঁর দাবিগুলোকে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে একজন রাজনৈতিক ভাষ্যকারের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।


Share: