নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের কাছে ভোট চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতা, চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে না পারার অভিযোগ তুলে বলেন, দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হলে সরকারের অবিলম্বে সরে দাঁড়ানো উচিত।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে দায়িত্বশীল ও বিবেকবান বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখতে চায় জামায়াতে ইসলামী। সরকারের ভালো উদ্যোগকে সমর্থন করা হবে, তবে ভুল ও অনিয়মের সমালোচনা করতেও পিছপা হবেন না তাঁরা। সরকারের ভুল ও অপকর্মের দায় বিরোধী দল নেবে না। একই সঙ্গে নিজের দলের কেউ অন্যায় বা অপরাধ করলেও তাঁকে ছাড় দেওয়া হয় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পথেই বিএনপি সরকার হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর গত সাত মাসে বিএনপি সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে এবং বিরোধী দলকে আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েছে।
পবিত্র মক্কা নগরীর দক্ষিণে হুথিদের ড্রোন হামলার অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। এ ঘটনায় হামলার নিন্দা জানানো নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
এ সময় সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা এবং নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা সরকার পালন করেনি। জনগণের গণরায়ও উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে কোনো সরকার স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারবে না।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের বাইরে তাদের কোনো ‘পিসির বাড়ি’ বা ‘দাদা বাবুর বাড়ি’ নেই। নানা প্রতিকূলতা ও নির্যাতনের মধ্যেও তারা দেশ ছেড়ে যাননি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তৌহিদুল ইসলাম নিশান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য। দলীয় সূত্র জানায়, লংমার্চের গাড়িবহর মিরসরাই অতিক্রম করার সময় জামায়াত আমিরের গাড়িবহর লক্ষ্য করে তিনি লাল কার্ড দেখান। পরে নিজের ফেসবুক আইডিতে ওই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেন।
পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও অস্বস্তিতে ভোগার প্রয়োজন নেই।