Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / চট্টগ্রাম বিভাগ / সারাদেশ / কক্সবাজার / ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু - Chief TV

ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু - Chief TV

2026-10-17  ডেস্ক রিপোর্ট  39 views
ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু - Chief TV

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী, তাঁর পাঁচ বছর বয়সী সন্তান, এক ভাই ও তিন বোন। পরিবারের ছয় সদস্যকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তাঁদের স্বজনেরা।

নিহত ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত ওষুধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা নূর আলমের স্ত্রী ফারিয়া কবির (৩৩), তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ফাইজান নূর, শ্যালক নাসির উদ্দিন (২৫) এবং তিন শ্যালিকা ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩)। এ ঘটনায় নাফিসতা মীম (২৭)সহ আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত বাকি তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

নূর আলম গণমাধ্যমকে জানান, তাঁর স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। এরপরও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে তাঁরা কক্সবাজার বেড়াতে যান। তবে পেশাগত কাজের প্রয়োজনে শুক্রবার তিনি চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন। শনিবার সকালে গণমাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের খবর দেখে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, নিহত ছয়জনই তাঁর পরিবারের সদস্য।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার নূর আলম, তাঁর স্ত্রী ও সন্তান শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে যান। এর আগে বুধবার তাঁরা চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকায় গিয়েছিলেন। নূর আলমের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়কোঠা ইউনিয়নের গাজিরপাড় গ্রামে। কর্মসূত্রে প্রায় আট বছর ধরে তিনি চুয়াডাঙ্গায় থাকছেন।

শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন।

অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ছয়জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১) ও তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), ইসমাইল হোসেন মাসুদ (৩০) ও তাঁর স্ত্রী মেহেরুন নেছা (২৭), মান্নান (৩৪) এবং সামিদা (৩২)। আহত ইসমাইল হোসেন ও মেহেরুন নেছা নিহত ফারিয়া কবিরের মামা-মামি।

হতাহতদের স্বজন ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আহাদ জানান, শনিবার সকালে তাঁদের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডে একসঙ্গে এতজন স্বজনকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা শোকে ভেঙে পড়েছেন।

ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন জানান, বেলা সোয়া দুইটার দিকে রিসোর্ট থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তখনও আরও মরদেহ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল এবং উদ্ধার অভিযান চলছিল।


Share: