২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি—দুই সূচকেই অবনতি হয়েছে। এবার সারা দেশে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট।
বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৫১০ জন। তাঁদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৭১৯ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয় ৪৩ জনকে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ৬৬৮ জন। সে হিসাবে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ।
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ছেলেদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অন্যদিকে, মেয়েদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ এগিয়ে রয়েছেন মেয়েরা।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।