তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যার পর মরদেহটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা জানান, শনিবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান সাথী। রোববার সকালে তার শাশুড়ি গৃহস্থালির কাজে পানি আনতে বাইরে যাওয়ার সময় তাকে ডাকাডাকি করেন। তবে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি সন্দেহ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন-চার মাস আগে রিমা ওই বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। বাসা নেওয়ার সময় নিজেকে বিবাহিত হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। গত তিন-চার দিন ধরে কক্ষটির দরজা বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানান প্রতিবেশীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মসজিদের দরজা খোলা দেখতে পান এক মুসল্লি। পরে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের থাকার জন্য নির্ধারিত কক্ষে যান। সেখানে খাটের ওপর সায়েমকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ দেখতে পান অন্য পুলিশ সদস্যরা। পরে গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া কয়েকবার ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে দরজা খুলে ভেতরে হাবিবুরকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।