Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / ঢাকা বিভাগ / সারাদেশ / ঢাকা / ইশরাকের সেই অস্ত্রকাণ্ডের জায়গায় এবার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান - Chief TV

ইশরাকের সেই অস্ত্রকাণ্ডের জায়গায় এবার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান - Chief TV

2026-10-19  ডেস্ক রিপোর্ট  42 views
ইশরাকের সেই অস্ত্রকাণ্ডের জায়গায় এবার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান - Chief TV

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে অন্তত ১৪ জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও এসআরবি-১০।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনার পরপরই এ অভিযান পরিচালিত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো-দক্ষিণের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে অংশ নেয়। ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন, মুন্সিরটেকসহ আশপাশের মাদকপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়।

এর আগে গত শনিবার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এই সংসদ সদস্য।

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করেন। এর পরপরই ঘুন্টিঘর এলাকায় অভিযান শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের স্থান হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালালেও অভিযান শেষে সেখানে আবারও মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা দেখা যায়।

সম্প্রতি ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ হন বলে জানা গেছে। এরপর থেকে এলাকাটিতে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারপরও মাদক কেনাবেচা বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ আসছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন ও মুন্সিরটেকসহ মাদকপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে মামলা করার পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হয়। তবে বারবার অভিযান চালিয়েও এলাকাগুলো পুরোপুরি মাদকমুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব এলাকায় মাদকসেবী ও কারবারিদের অনেকে ভাসমান। তাঁরা হঠাৎ এসে মাদক কেনাবেচা বা সেবন করে আবার চলে যান। অভিযানের সময় যাঁদের পাওয়া যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু অভিযান শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চলে গেলে আবারও অনেকে সেখানে ফিরে আসেন।

তিনি আরও বলেন, রেলস্টেশনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। সীমিত জনবল দিয়ে একসঙ্গে অনেক এলাকা নজরদারিতে রাখতে হয়। ফলে একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অন্য এলাকায় দায়িত্ব পালনে গেলে আগের এলাকায় আবারও মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা শুরু হতে পারে।


Share: