পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুল্লী থানার এসআই (নিরস্ত্র) সজিব হাসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করে হামিদুল ইসলাম ও মিজানের কাছ থেকে ছয় পিস ট্যাপেন্টাডোল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্তর নামে এক যুবক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সৈকত দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ফেন্টানাইল ট্যাবলেটে আসক্ত থাকার পাশাপাশি এর বেচাকেনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রোববার বিকেলে চর ভবশুর সরকারপাড়া এলাকায় একটি দোকানের পেছনে আখক্ষেতে অবস্থানকালে পুলিশ তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, অভিযান পরিচালনার সময় প্লাবন মিয়া পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ও ফুলছড়ি থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এর অংশ হিসেবে রেজা মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রেজা মিয়া (৩৯) ও মো. আয়নাল হক (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত মা জলি খাতুনকে ১ হাজার টাকা এবং তার ছেলে আরিফ রহমান নিশানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আটক মো. আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মুরগির ব্যবসার আড়ালে তিনি নিজের দোকান থেকেই নিয়মিত মাদক বিক্রি করতেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সরকারি বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের ভেতরে মাদক সেবনের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তেঁতুলিয়া থানার দেবনগর ইউনিয়নের লতিফগছ গ্রামের মজিবর রহমানের মুদি দোকানের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। সভায় পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যানজট নিরসন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা দূর করা এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
গ্রেপ্তার মিতা কর্মকার ঘাটকৈর গ্রামের বীরেন কর্মকারের স্ত্রী। অভিযানের সময় বীরেন কর্মকার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তার আবু রায়হান চিলমারী উপজেলার ছোট কুস্টারি মৌজার মো. আসমত আলীর ছেলে। পরে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ তাকে চিলমারী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।