এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে করণীয় নিয়ে ভাবছে সরকার। প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠানকে পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি যাবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন বলেন, শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে সংশোধন করা যায়, তা নিয়ে ভাবা হবে। প্রয়োজনে পাশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেগুলো একীভূত করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হবে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই।
ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত এসএসসি পরীক্ষায় পুনঃপরীক্ষা বা পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এবারও পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন অবমূল্যায়নের শিকার না হন, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এবারের ফলাফল সন্তোষজনক হয়নি। এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দিনে ফলাফলের উন্নয়নে কাজ করা হবে।
অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, কত দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবেন, তা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
পাসের হার কমার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। এবার ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।